প্রথমেই সবাইকে আমার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আর সেই সাথে এটাও জানাচ্ছি যে এটা আমার প্রথম লেখা, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে অথবা এই লেখাটি যদি কারোও সাথে মিলে যায় সেজন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী ।
আপনারা হয়তো অনেকেই “MONSOON RAIN” বা “CATS I “ থেকে কাপর কেনার সময় লক্ষ করেছেন যে তারা price tag টা কাচি দিয়ে কেটে দেয় এবং পরে কাপরটি প্যাকেট করে। হয়তো প্রশ্ন জাগতে পারে কেন? আসলে তারা যেটা কাচি দিয়ে কাটে সেটা হলো RFID price Tag, যে ট্যাগটি ওই কাপরটিকে সেই সোরুম থেকে চুরি হয়া থেকে রক্ষা করে ।
এবার আসুন জেনে নেই , কিভাবে এই RFID price Tag চুরি যাওয়া থেকে রক্ষা করে। Radio-frequency identification (RFID) হলো এক ধরনের চিপ উপরের ছবির মত।, এটি খুব ভাল মানের আঠা দিয়ে Price Tag এর সাথে লাগানো থাকে (চিত্র-২)। এটি প্রতি নিয়ত এক ধরেনর রেডি্ও তরংগ ছড়াতে থাকে একটি নির্দিষ্ট জাযগার মধ্যে এবং তরংগের মাধ্যেম যুক্ত থাকে একটি রিসিভারের সাথে । যদি কোন কারনে এই ট্যাগটি সেই সিমানা থেকে সরে যায়, তবে সে তার রিসিভারের সাথে সংযুক্ত তরংগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আর এলার্ম বাজিয়ে দেয় ।
ট্যাগটি লাগানো থাকে দোকানে সাজানো পন্যের সাথে আর এর আওতা দেয়া হয় পুরো দোকানের জায়গাটিকে । এখন কেউ যদি কোন পন্য চুরি করে নিয়ে যায় তাহলে এর সাথে আটকে থাকা RFID price Tag টি তার রিসিভারের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে আর এলার্ম বেজে উঠে । এজন্য পন্য বিক্রির সময় বিক্রেতা RFID price Tag টি পন্য থেকে কেটে তাকে রিসিভার থেকে সয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করে বিক্রি করে।
RFID প্রথম আবিস্কার করেন রাশিয়ার বিজ্ঞানী Léon Theremin ১৯৪৫ সালে । RFID বর্তমানে প্রথিবীর বড় বড় রিটেইল সপ যেমন Wallmart, The Gap, PUMA, Marks & Spencer, H&M এ ব্যবহ্রত হয়। অনেক যাদুঘরে ঐতিহাসিক সামগ্রী রক্ষার জন্য এই প্রযুক্তি আজ খুব প্রচলিত ।উপরের ছবিতে একটি লাইব্রেরিতে এর ব্যবহার দেখানো হয়েছে। বতর্মানে সারা প্রথিবীর প্রায় ৯০% RFID Label সরবরাহ করে Avery Dennison নামের একটি U.S.A based কম্পানি । প্রথিবীর ৪৭ টি দেশে এর শাখা বিস্ত্রিত , সৌভাগ্যক্রমে বাংলাদেশেও এর একটি প্লান্ট আছে।
বাংলাদেশ সবকারের উচিত এরকম RFID Tag সব দুর্নীতিবাজদের শরীরে লাগিয়ে দেয়া, যার বিস্ত্রিতি থাকবে সারা বাংলাদেশ জুড়ে আর রিসিভার থাকবে জনগনের হাতে যাতে কেই দুর্নীতি করে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে না পারে !!!!!!!!!
লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আবদুল বাকী
আপনারা হয়তো অনেকেই “MONSOON RAIN” বা “CATS I “ থেকে কাপর কেনার সময় লক্ষ করেছেন যে তারা price tag টা কাচি দিয়ে কেটে দেয় এবং পরে কাপরটি প্যাকেট করে। হয়তো প্রশ্ন জাগতে পারে কেন? আসলে তারা যেটা কাচি দিয়ে কাটে সেটা হলো RFID price Tag, যে ট্যাগটি ওই কাপরটিকে সেই সোরুম থেকে চুরি হয়া থেকে রক্ষা করে ।
এবার আসুন জেনে নেই , কিভাবে এই RFID price Tag চুরি যাওয়া থেকে রক্ষা করে। Radio-frequency identification (RFID) হলো এক ধরনের চিপ উপরের ছবির মত।, এটি খুব ভাল মানের আঠা দিয়ে Price Tag এর সাথে লাগানো থাকে (চিত্র-২)। এটি প্রতি নিয়ত এক ধরেনর রেডি্ও তরংগ ছড়াতে থাকে একটি নির্দিষ্ট জাযগার মধ্যে এবং তরংগের মাধ্যেম যুক্ত থাকে একটি রিসিভারের সাথে । যদি কোন কারনে এই ট্যাগটি সেই সিমানা থেকে সরে যায়, তবে সে তার রিসিভারের সাথে সংযুক্ত তরংগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আর এলার্ম বাজিয়ে দেয় ।
ট্যাগটি লাগানো থাকে দোকানে সাজানো পন্যের সাথে আর এর আওতা দেয়া হয় পুরো দোকানের জায়গাটিকে । এখন কেউ যদি কোন পন্য চুরি করে নিয়ে যায় তাহলে এর সাথে আটকে থাকা RFID price Tag টি তার রিসিভারের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে আর এলার্ম বেজে উঠে । এজন্য পন্য বিক্রির সময় বিক্রেতা RFID price Tag টি পন্য থেকে কেটে তাকে রিসিভার থেকে সয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করে বিক্রি করে।
RFID প্রথম আবিস্কার করেন রাশিয়ার বিজ্ঞানী Léon Theremin ১৯৪৫ সালে । RFID বর্তমানে প্রথিবীর বড় বড় রিটেইল সপ যেমন Wallmart, The Gap, PUMA, Marks & Spencer, H&M এ ব্যবহ্রত হয়। অনেক যাদুঘরে ঐতিহাসিক সামগ্রী রক্ষার জন্য এই প্রযুক্তি আজ খুব প্রচলিত ।উপরের ছবিতে একটি লাইব্রেরিতে এর ব্যবহার দেখানো হয়েছে। বতর্মানে সারা প্রথিবীর প্রায় ৯০% RFID Label সরবরাহ করে Avery Dennison নামের একটি U.S.A based কম্পানি । প্রথিবীর ৪৭ টি দেশে এর শাখা বিস্ত্রিত , সৌভাগ্যক্রমে বাংলাদেশেও এর একটি প্লান্ট আছে।
বাংলাদেশ সবকারের উচিত এরকম RFID Tag সব দুর্নীতিবাজদের শরীরে লাগিয়ে দেয়া, যার বিস্ত্রিতি থাকবে সারা বাংলাদেশ জুড়ে আর রিসিভার থাকবে জনগনের হাতে যাতে কেই দুর্নীতি করে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে না পারে !!!!!!!!!
লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আবদুল বাকী








bhai jotil leksen...specially last one
ReplyDelete